গ্রিন লাইন বাসের ড্রাইভার কবির মিয়ার শাস্তি দাবি

প্রাইভেট গাড়িচালক ইউনিয়নের মানববন্ধন

গ্রিন লাইন বাসের ড্রাইভার কবির মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে প্রাইভেট গাড়িচালক ইউনিয়ন। রাজধানীর মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর ২৮ এপ্রিল বিকালে মাইক্রোবাস চালক রাসেল সরকারকে বাসচাপায় হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে এ দাবি জানান তারা।

শুক্রবার (৪ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘অবিলম্বে গ্রিন লাইন বাসের চালক কবির মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সেই সঙ্গে আহত রাসেলের ক্ষতিপূরণও গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে। প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য সত্ত্বেও মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চলছে।’ এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

এসময় বক্তারা অবিলম্বে রাজিব ও রোজিনাকে হত্যাকারী বাস চালকদের শাস্তিসহ ঢাকা শহরের পরিবহন চলাচল ট্রাফিক নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানান।

সমাবেশে প্রাইভেট গাড়িচালক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরে হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাস্তায় ও টার্মিনালে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগার, প্রাইভেট গাড়ি চালকদের নিয়োগপত্র, সাপ্তাহিক ছুটিসহ বিভিন্ন দাবি জানান তারা। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক মামুন মিয়া, সদস্য সাইফুজ্জামান সাকন, রাজ আহমেদ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২৮ এপ্রিল বিকালে রাসেল সরকার (২৩) কেরানীগঞ্জ থেকে যাত্রাবাড়ী মেয়ের হানিফ ফ্লাইওভারের ধোলাইপাড়ের ঢাল দিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। ওই সময় গ্রিন লাইন পরিবহনের একটি বাস পেছন দিক থেকে একটি রেন্ট এ-কার গাড়িকে ধাক্কা দেয়। এতে দুই চালকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে গ্রিন লাইনের চালক তার বাস চালানো শুরু করেন। তখন রেন্ট-এ-কার মাইক্রোবাস চালক রাসেল সামনে দাঁড়িয়ে ঠেকাতে গেলেও বাসটি থামে না। এ সময় সরতে গিয়ে ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে আটকা পড়ায় রাসেলের বাম পায়ের ওপর দিয়ে বাসটি যাওয়ায় তার পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পথচারীরা রাসেলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং বাস চালক কবির মিয়াকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনায় শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাসেল সরকারের বড় ভাই মো. আরিফ সরকার যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন।

আরও খবর: চোখের পলকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় রাসেলের পা