নিহত পলাশের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর থানা এলাকায়। তার বাবার নাম জামাল উদ্দিন।
পুলিশ জানিয়েছে, বাসার নিচতলার একটি কক্ষ থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া গেছে। সাদা নাইলনের দড়িতে সে ফাঁস দেওয়া ছিল। তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, চিরকুটটি পলাশের লেখা। তাদের পারিবারিক ঝামেলা থাকতে পারে। সে কারণে হয়তো আত্মহত্যা করেছে।
নিহত পলাশের বন্ধু তমাল বাংলা ট্রিবিউন বলেন, ‘আমরা দুই রুমের ওই ফ্ল্যাটটিতে তিন জন ভাড়া থাকি। পলাশ আর আমি একটিতে, অপর রুমটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিথুন নামে এক বড়ভাই থাকেন। আমি রবিবার গোপিবাগ ছিলাম। সোমবার সকালে বাসায় আসার পথে মিথুন ভাই ফোনে বিষয়টি আমাকে জানায়, এরপর এসে আমি পলাশকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই।’
তিনি বলেন, ‘পলাশের কোনও পারিবারিক ঝামেলা থাকতে পারে, হয়তো সে কারণে সে আত্মহত্যা করেছে।’
পলাশের লাশের ময়নাতদন্ত শেষ করে তার চাচা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছেন।