মঙ্গলবার (২৯ মে) দুদিনের রিমান্ড শেষে শরীফুলকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার পুলিশ পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ।
ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক গোলাম নবী জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।
এর আগে গত ২৭ মে গৃহকর্ত্রী কাজল রেখা ও তার মা খোদেজা বেগম নামের আরও দুই আসামি ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ মে রাতে গৃহকর্মী সাথী খুন হওয়ার পর তার লাশ সেদিন বাসায় রেখে দেয় আসামিরা। শরিফুল নতুন লাগেজ কিনে ওই বাসায় গিয়ে সাথীর লাশ তাতে ভরে ফেলে। ভোরে শরীফুল যখন লাশভর্তি লাগেজ নিয়ে আবদুল্লাহপুর যাচ্ছিল, তখন চেকপোস্টে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।
ওই ঘটনায় সাথীর বাবা রহমত আলী বাদী হয়ে গৃহকর্ত্রী কাজল রেখা, তার মা খোদেজা বেগম ও রেখার আত্মীয় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দক্ষিণখান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।