সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মিষ্টিতে তেলাপোকা ছাড়াও কারখানার ভেতরে প্রচুর মশা ও মাছি দেখতে পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারখানাটিতে মিষ্টি ও সেমাই তৈরিতে অপরিশোধিত পানি ব্যবহার করা হয়। দইয়ের বাটির পাশে ছিল প্রচুর ময়লা-আবর্জনা। কারখানার ভেতরের প্রতিটি কক্ষে জুতা ও স্যান্ডেল নিয়ে প্রবেশ করছেন কারিগররা। তাদের নেই কোনও হেয়ার ক্যাপ এবং হ্যান্ড গ্লোভস।
র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অভিযানে গিয়ে রস মিষ্টির কারখানায় মিষ্টির মধ্যে তেলাপোকা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া, সেখানে ছিল মশার সমাহার। কারখানায় মিষ্টি ও অন্যান্য খাদ্য পণ্য তৈরিতে অপরিশোধিত পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এমন অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিষ্টি ও সেমাই তৈরি করায় কারখানাকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘গত দুবছর আগে এই কারখানাটিকে সতর্ক করে ছয় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এখনও একই পদ্ধতিতে মিষ্টি ও সেমাই তৈরি করছে।’
আগামী সাত দিনের মধ্যে কারখানাটির পরিবেশের উন্নতি না হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
সারওয়ার আলম বলেন, ‘এদিকে রসের কারখানার লাচ্ছা সেমাই তৈরির পর সেগুলো সয়াবিনে ভাজা হচ্ছে। পরে সেগুলো ‘ঘিয়ে ভাজা’ লাচ্ছা সেমাই বলে প্যাকেট করা হচ্ছে। ঘিয়ে ভাজা বলে এক কেজি সেমাই ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। অথচ এগুলো সয়াবিনে ভাজা, যার বাজারমূল্য মাত্র ৮০ থেকে ১২০ টাকা।’
অভিযানে র্যাবের সঙ্গে ছিল মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিএসটিআই- এর প্রতিনিধি দল।।