অভিযান চলাকালে যানবাহনের মেরামত ব্যয়,গাড়িতে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল ব্যবহারসহ বিভিন্ন দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বিষয়ে অভিযোগুলো খতিয়ে দেখা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে জোয়ার সাহারা ডিপোতে হঠাৎ অভিযান চালানো হয়। দুদকের পরিচালক মো. ফরিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশসহ ১০ সদস্যের টিম অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ডিপোতে যানবাহন মেরামত ব্যয় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিল-ভাউচার, রেজিস্টার ও স্টোর রুম পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
একই সঙ্গে অভিযানে অংশ নেওয়া দুদকের সদস্যরা বিআরটিসি বাসে নির্ধারিত মাইলেজ অনুসারে জ্বালানি তেল ব্যবহার, স্টক রেজিস্টার অনুসারে যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে কিনা, এসব বিষয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান প্রণব কুমার। তবে কোনও অনিয়ম পাওয়া গেছে কিনা, তা জানাতে পারেননি তিনি।
দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা প্রাথমিক অভিযান। পরবর্তীতের বিস্তারিত তদন্ত হবে।’
অভিযান প্রসঙ্গে দুদক এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘বিআরটিসি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। দুদকের অভিযান এ প্রতিষ্ঠানের সুশাসন বাড়াতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। তবে দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে দুদক প্রয়োজনে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চালাবে।’