পাশাপাশি কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও ছাত্রী নিপীড়নের বিচারের দাবিও জানান তারা।
শুক্রবার (১৩ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান ফোরামের নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪২৭ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৩৭ জনকে, পারিবারিক নির্যাতনের শিকার ২০৮ জন, নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪৪ জনকে, নির্যাতনের শিকার ৮৫৬টি শিশু এবং নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪৮টি শিশুকে। নারী ও শিশু নির্যাতন এত ভয়াবহ আকার ধারণ করার অন্যতম একটি কারণ হলো বিচার না হওয়া। নির্যাতনের যত ঘটনা দেশে ঘটে, তার অধিকাংশ ক্ষেত্রে মামলা হয় না। মামলা যা হয়, তার মধ্যে ৯৭ শতাংশ মামলায় কোনও সাজা হয় না। তাই নারী-শিশু নির্যাতক, ধর্ষক, হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
বক্তারা আরও বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন একটি যৌক্তিক আন্দোলন। সেই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বর হামলা চালিয়ে, ছাত্রীদের নিপীড়ন করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কার্যত আমরা দেখতে পাচ্ছি, আন্দোলনকারীরা মার খাচ্ছে, তাদের গ্রেফতার ও রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সন্ত্রাসীরা বহাল তবিয়তে আছে। অবিলম্বে এই হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারের আনার দাবি জানাই।
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শম্পা বসুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন— উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সামসুন নাহার জোৎসনা,সাংগঠনিক সম্পাদক দিলরুবা নূরী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুক্তা বাড়ৈ, নারী নেত্রী জেসমিন আক্তার, রুখসানা আফরোজ আশা প্রমুখ।