তিনি বলেন, জোরপূর্বক এক হাটের গরু অন্য হাটে নামানোর কোনও অভিযোগ আমরা এখনও পাইনি। হাটের প্রথম দিকে রামপুরা ও মেরাদিয়া হাটে এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করেছি। এখন পর্যন্ত অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে বা হাটে কোনও চাঁদাবাজির ঘটনার অভিযোগ আমরা পাইনি। যদি কোনও বিক্রেতা তাদের গরু অন্য হাটে নিয়ে যেতে চান তবে তাদের যেন যেতে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কেউ বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘ফাঁকা রাজধানী ও মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা তৎপর রয়েছি। ছিনতাই ও বাসাবাড়িতে কোনও চুরি যাতে না হয় সে বিষয়ে পুলিশের সব ইউনিটের সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতেই পুলিশের নিরাপত্তা থাকবে। জাতীয় ঈদগাহ ও জাতীয় মসজিদে ঈদ জামাতে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
রাজধানীর ভেতরে ৪টি বাস টার্মিনালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনও কাউন্টারে যদি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয় তবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে আমাদের ভিজিলেন্স টিম নজরদারি শুরু করেছে। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনও অভিযোগ এখনও আমরা পাইনি। লঞ্চঘাটেও আমাদের একই নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যাত্রীরা যাতে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারে সে বিষয়টি নজরদারি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, গাবতলী কাউন্টারে কিছু গাড়ির সংকট রয়েছে। আশা করছি সন্ধ্যা নাগাদ তা সমাধান হয়ে যাবে। কারণ যেসব গাড়ি ঢাকা ছেড়ে গেছে, সেগুলো এখনও ফিরে আসতে পারেনি। তাছাড়া ট্রাফিক আইনের প্রতি আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন কোনও যানবাহন সড়কে চলতে দেওয়া হচ্ছে না। সার্বিকভাবে নগরীর মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের কর্তব্য। আমরা সেই কাজটি করে যাচ্ছি।