আয়শা খানম বলেন, ‘নারীরা নির্যাতনের রিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। বেসরকারি সংগঠন নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করলেও তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মাল্টিসেক্টরাল অ্যাপ্রোচে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা কামনা করছি।’
মহিলা পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘নারীরা পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা থেকে শুরু করে আইলা মোকাবেলা করছে। খেলার মাঠ থেকে শুরু করে নানা চ্যালেঞ্জিং পেশায় রয়েছে। অথচ নারী ও কন্যাশিশুরা আজ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার মূলে রয়েছে মনস্তত্ত্ব, পিতৃতন্ত্র ও বৈষম্যমূলক আইন। আজকের ইতিহাস, দর্শন ও শিক্ষা কারিকুলাম নারীর প্রতিকূলে। রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নও নারীর প্রতি সহিংসতার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। এগুলো থেকে নারীদের রক্ষা করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ১৮টি সুপারিশ তুলে ধরেন— অ্যাডভোকেট মাকছুদা আখতার। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— মহিলা পরিষদের সহসভাপতি নাহার আহমেদ, রেখা চৌধুরী, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু প্রমুখ।