বুধবার (২৮ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে ইশরাখ ও সারিকার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আজমালুল হক কিউসি।
এ সময় দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
শুনানিকালে রাষ্ট্র ও দুদকের আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, আসামিরা মামলার দীর্ঘ সময় পরে আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে আসেন। এর আগে তারা দুদকের নোটিশ স্থগিতের জন্য রিট মামলাও দায়ের করেছিলেন।
অন্যদিকে, জামিন চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, ইশরাখ হোসেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। তাই তার জামিন প্রয়োজন।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর দুদক তদন্ত করে দুটি পৃথক নোটিশের মাধ্যমে ইশরাখ ও সারিকার নিজ নিজ নামে ও তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে বা তাদের পক্ষে অন্য নামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদ/সম্পত্তির দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ সাত দিনের মধ্যে দুদকে জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু নোটিশ সত্ত্বেও তারা সম্পদের তথ্যবিবরণী জমা দেননি।
পরে নোটিশের জবাব না পেয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম গত ২৯ ও ৩০ আগস্ট তাদের দুজনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এসব মামলায় তারা জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান।