বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া জনকণ্ঠের সাবেক এক কর্মী জানান, সাংবাদিক, ডিইউজে নেতা ও মালিকপক্ষের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে জনকণ্ঠের মালিকপক্ষ তা মানেনি। যে কারণে কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
জনকণ্ঠের কর্মীদের অবরোধের বিষয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘একটি প্রথম শ্রেণির জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা ছাড়া কাজ করছেন। আমরা মালিক পক্ষের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নিশ্চয়তা চাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা কর্মীদের বকেয়া পরিশোধ করবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি পালন করে যাবো।’
সংগঠনটির সভাপতি আবু জাফর সূর্য্য বলেন, ‘আমরা জনকণ্ঠের সাংবাদিকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এখানে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের সহকর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে। তারা বেতন-ভাতা ছাড়া মানবেতর জীবন যাপন করছেন।’
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের দৈনিক জনকণ্ঠের ইউনিট চিফ রাজন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আজ থেকে তিন মাস আগে মালিকপক্ষ বকেয়া-বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিল। সে সময় লিখিত দিয়ে বলা হয়েছিল, ডিসেম্বরের মধ্যে পাওনা পরিশোধ করা হবে। কিন্তু আমরা এখনও আমাদের বকেয়া বুঝে পাইনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া বেতন পরিশোধের সময় দিয়ে মালিক পক্ষকে সময় বেধে দিয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু মালিক পক্ষ আমাদের চিঠির কোনও জবাব দেয়নি। তাই আমরা আজকে মালিক পক্ষের কাছে চিঠির জবাব জানতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের হতাশ করেছেন। তারা আমাদের চিঠির জবাবে বলেছেন, যেদিন টাকা হবে সেদিন বেতন দিবেন। তাই আমরা আজকে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’
বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করা পর্যন্ত অবরোধ চলবে বলে জানান তিনি।