অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাইমেক্স লেদারের এমডিকে সস্ত্রীক আত্মসমর্পণের নির্দেশ

আদালতভুয়া বিলের মাধ্যমে ঢাকা ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখা থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাইমেক্স লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তালহা শাহরিয়ার আইয়ুব ওরফে ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব ও তার স্ত্রী একই কোম্পানির পরিচালক তানিয়া রহমানের আগাম জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদেরকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আসিফ হাসান। আর  আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আহসানুর রহমান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, আসামিরা একে অন্যের যোগসাজশে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহার, জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে প্রতারণামূলকভাবে, ভুয়া রফতানি দেখিয়ে ২৬টি রফতানি বিল ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় জমা দেন। পরে তারা ১৭টি বিলের বিপরীতে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯৮ হাজার ১২৬ টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে ৩টি বিলের মূল্যসহ ও চতুর্ বিলের আংশিক মূল্যসহ মোট পাঁচ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যাংকে ফেরত দেন এবং অবশিষ্ট ১৪টি বিলের মূল্য ২১ কোটি ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৭১ টাকা ব্যাংকে ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। পরে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসন সাত জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্তাধীন রয়েছে।

উল্লিখিত দুই আসামি ছাড়াও মামলার অন্য পাঁচ আসামি হলেন— ঢাকা ব্যাংকের এভিপি ও সিপিসি সুলতানা ফাহমিদা, ভিপি ও ইনচার্জ সিপিসি ট্রেড অপারেশন মো. আমিনুল ইসলাম, মেসার্স এস অ্যান্ড এস এজেন্সির মালিক বিভূতি ভূষণ বালা, মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের মালিক শেখ আসাদুজ্জামান মিন্টু এবং মেসার্স সাদাত এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আমিনুল ইসলাম।