আইনমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয় ও সলিসিটর বিভাগ আজ সংযুক্ত হলো। এই প্রযুক্তির সঙ্গে যদি আমরা সংযুক্ত না হতাম তাহলে কিন্তু পিছিয়ে থাকতাম। পিছিয়ে থাকলে বিচার প্রার্থীদের কাছে দ্রুত বিচার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতো না। সুষ্ঠু বিচার যদি আমরা পৌঁছে দিতে না পারি তাহলে সেটা হবে বিচার বিভাগের ব্যর্থতা। আর এতে জনগণ বিচার বিভাগের কাছে আসবে না।
আইন মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের ওপর ন্যায়বিচার নির্ভর করে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ই-জুডিশিয়ারির একটি ধাপ ‘ই-ফাইলিং’ চালু হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় খুব ধীরগতিতে এই প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে। এই ধীরগতির কারণ হলো, আইনের বিষয়গুলো সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে পারবো কিনা সেটা আগে আমাদের শিখতে হবে। এতে হয়তো কিছুটা সময় লাগবে। তাই আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগুচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ পর্যায়ক্রমে ই-জুডিশিয়ারি সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে। তবে এই প্রযুক্তির কিছু বিড়ম্বনাও আছে। সেই কারণে আমাদের সতর্কতার সঙ্গে এগুতে হবে। যেমন হ্যাকিং ক্রাইম। মূলত এসব সাইবার ক্রাইম মোকাবিলা করার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি করা হয়েছে।
আগামী এক মাসের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও সলিসিটর অফিস সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সলিসিটর জেসমিন আরাসহ প্রমুখ।