তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে আট হাজার কোটি টাকা কেউ নিয়ে যায় আর আপনারা (ফুটপাতের হকার) তো ১০০ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ চান নাই। আপনারা একটু বাঁচতে চেয়েছেন। এই শহরে যখন গলা পানি থাকে, তখনও আপনার রাস্তায় বসে ব্যবসা করেন। এই শহরকে বাঁচিয়ে রেখেছেন আপনারা। তাহলে কেন আপনাদের পেটে লাথি মারা হচ্ছে?
শরিফুজ্জামান শরিফ বলেন, আপনারা ঋণ করে ছোট্ট একটা দোকান করেছেন, সেই দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এটা অন্যায়। যদি পাকিস্তানি বিহারী ও রোহিঙ্গাদের পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়, যদি ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া যায় তাহলে এই শহরে দেশের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য কেন একটু জায়গা দেওয়া যায় না।
পল্টনে গেঞ্জি বিক্রেতা হকার আবুল কাশেম বলেন, ২২ জানুয়ারি আমাদের উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আমরা কোথাও বসতে পারিনি, ব্যবসা করতে পারিনি। আমরা চাই পুনর্বাসন ছাড়া আমাদের যেন উচ্ছেদ করা না হয়।
বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে গেছে
গুলিস্তানের ট্রাউজার ও জার্সি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ বলেন, ফুটপাতে এখন আমাদের আর বসতে দেওয়া হয় না। এখন আমাদের বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে গেছে। আমরা চাই, আমরা যেন বেঁচে থাকার জন্য একটু জায়গা পাই যেখানে ব্যবসা করে খেতে পারি।
সমাবেশে কমরেড জহিরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুলিস্তান, পল্টন ও মতিঝিল এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক হকার উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে তোপখানা রোডের একাংশ বন্ধ ছিল এক ঘণ্টা।