দেশব্যাপী দক্ষ জনবল সৃষ্টিতে আইপিএমকে সহায়তার আশ্বাস দেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দ্ক্ষ মানবশক্তি ছাড়া এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই সরকার তরুণ প্রজন্মকে দ্ক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সেসব প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দক্ষতা অর্জন করে অনেকেই দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও চায় দ্ক্ষ জনশক্তি। ফলে দেশে দক্ষ জ শক্তি তৈরিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন বেসরকারি উদ্যোগ। আইপিএম এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।’
আইপিএমের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ারুল আজিম। তার কথায়, ‘১৯৮০ সালে যখন আইপিএম গঠিত হয়, তখন এদেশে প্রশাসন বা কর্মী ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পেশজীবীদের কোনও প্ল্যাটফর্ম ছিলো না। আইপিএম প্রথম পাবলিক ও প্রাইভেট খাতে এইচআর প্রফেশনালদের নিয়ে কাজ শুরু করে। আইপিএম বিভিন্ন মেয়াদী কোর্স পরিচালনা করছে। দীর্ঘ ৩৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কার্যকর এফিলিয়েশনI আইপিএম যুক্তরাজ্যের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব পার্নোনেল ডেভলপমেন্টের এফিলিয়েটেড প্রতিষ্ঠান।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এফবিএইচআরও’র সভাপতি মোশাররফ হোসেন, আইপিএমের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সাবেক সভাপতি এবিএম ওসমান গণি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর চৌধুরী মফিজুর রহমান প্রমুখ।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ছিল একাধিক সেশন। এগুলোতে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য রাখেন। প্রথম সেশনে মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন আইসিটি ডিভিশনের এলআইসিটি প্রজেক্টের টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মো.আসাদ-উর-রহমান। কর্মক্ষেত্রে দক্ষ কর্মী নিয়োগ, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মীর দক্ষতা সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ভারতের ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনার্স অ্যান্ড স্পিকার্সের সভাপতি যোগেশ কুমার। ব্যবসায় সাফল্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল থট লিডার ড. ইডি এল হ্যানসন।
ছবি: বাংলা ট্রিবিউন