উপাচার্য বলেন, ‘ডা. রাজনের মৃত্যু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তার অকাল মৃত্যুতে দেশ হারালো একজন চিকিৎসককে। তার মৃত্যু বিশ্বাস করা কঠিন। এমন মৃত্যু যেন আর না হয়। তার মৃত্যুর কারণ খুঁজে বের করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যা যা করার দরকার আমরা তা করবো। তার বিষয়টির যেন সুষ্ঠু তদন্ত হয় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবো। রাজনের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি প্রতিনিধি দল তার গ্রামের বাড়িতে যাবে।’
ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কাজী বিল্লুর রহমান বলেন, ‘রাজনের মতো ভালোমানের চিকিৎসক পাওয়া মুশকিল। ওর মৃত্যুতে আমাদের ডিপার্টমেন্টের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।’
বিএসএমএমইউ-এর সহকারী প্রক্টর ডা. আহসান হাবিব হেলাল অভিযোগ করে বলেন, ‘উপাচার্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ফোন দেওয়ার পরই রাজনের ময়নাতদন্ত হয়। এরপর আমরা মরদেহ বের করে আনতে সক্ষম হই।’
স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন কনজারভেটিভ ডেনটিস্ট্রি অ্যান্ড অ্যান্ডোডনটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শামসুল আলম, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ, নিউরোলোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুভাষ কান্তি দে, প্যাডোডনটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. জেবুন নেছা, ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. গাজী শামীম হাসান, সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শোহদা খাতুন প্রমুখ।