দুদক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক নার্গিস সুলতানা। অভিযানের সময় হাসপাতালের বেশ কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে রোগী এবং স্বজনদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ পায় দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম। পরে দুদক টিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মচারীদের শাস্তি ও বদলির সুপারিশ করে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ পেয়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানের সময় গ্রাহকদের নানাভাবে জিম্মি করে হয়রানি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যায়। দুদক টিমের অনুসন্ধানে ২০১৮ সালের ৪২৭টি এবং ২০১৯ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত নতুন সংযোগের ২০৯টি আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে বলে জানা যায়। এ ছাড়া অনুমোদিত কিন্তু সংযোগ দেওয়া হয়নি, এমন ১২৭টি আবেদনের সন্ধান পায় দুদক। দুদক টিম সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে তাদের পর্যবেক্ষণ মহাব্যবস্থাপকের কাছে উপস্থাপন করে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহাতাব উদ্দীন ও আহমেদ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান চালায়। দুদক টিমের উপস্থিতিতে নতুন সংযোগ এবং মিটার দেওয়ার সময় নির্ধারিত অর্থের বেশি আদায়ের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। মিটারের জামানত এবং নিবন্ধন বাবদ একজন নতুন গ্রাহকের মাত্র ৪৫০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও প্রত্যেকের কাছ থেকে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পায় দুদক।