রবিবার (৭ এপ্রিল) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার এবং বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ খারিজাদেশ দেন।
এ মামলায় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন– ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এমএস আজিম। আর স্কুলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. ইমদাদুল হক কাজী।
মামলার তথ্য অনুসারে, গুলশান-২, রোড নং-৬২, প্লট নং ৬তে বিধিবহির্ভূতভাবে স্কুল ভবন প্রতিষ্ঠা করায় বিষয়টি অনুসন্ধান করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তৌহিকুল ইসলাম। পরে ২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর স্কুলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মাহবুবুর রহমানকে দুদকে হাজির হতে নির্দেশ এবং রাজউক কর্তৃক স্কুলটি ছয় মাসের মধ্যে স্থানান্তর করার জন্য পৃথক দুটি নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ওই দুটি নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ডা. মাহবুবুর রহমান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এরপর ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি নোটিশ দুটি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে দুই সপ্তাহের রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
এরপর রবিবার (৭ এপ্রিল) শুনানি নিয়ে রুল খারিজের আদেশ দেন হাইকোর্ট। ফলে বিধিবহির্ভূতভাবে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির বিষয়ে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ব্যাখ্যা দিতে দুদকে হাজির হতে হচ্ছে এবং স্কুলটি স্থানান্তর করতে হচ্ছে।