সোমবার (৮ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ (পরিদর্শক) কাজী শরিফুল ইসালম আসামির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। এরপর ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছীর আহসান চৌধুরী আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান।
গত শুক্রবার (৫ মার্চ) বিকালে ঢাকা মহানগর হাকিম ননী গোপালকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। এই রিমান্ড শেষে সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এর আগে গত ২৭ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত সুপ্রভাত বাসের কন্ডাক্টর ইয়াসিন আরাফত ও হেলপার ইব্রাহিমকে সাত দিনের রিমান্ড পাঠান। পরে ২ এপ্রিল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় তারা। এরপর আদালত তাদের কারাগারে পাঠান।
গত ২০ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম বাসচালক সিরাজুল ইসলামকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠান। পরে ২৮ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সে। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।
গত ১৯ মার্চ রাজধানীর নর্দ্দা এলাকায় প্রগতি সরণিতে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাসচাপায় নিহত হন বিইউপি শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী। যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে সুপ্রভাত নামের একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। সুপ্রভাত পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল, বাসচালকের ফাঁসিসহ আট দফা দাবিতে টানা কয়েক দিন সড়ক অবরোধ করা হয়।
আরও পড়ুন: ‘সুপ্রভাত’ বাসের মালিক গোপাল তিন দিনের রিমান্ডে