রবিবার (২৮ এপ্রিল) সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ইউএসএআইডি’র কনসালটেন্ট জোনাথন রোজ, ডেভিড টিমবারম্যান ও গভার্নেন্স অ্যাডভাইজার রুমানা আমিনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দুদক চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘দুদকের সক্ষমতা বাড়াতে বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দুদক প্রতিষ্ঠার পূর্বেও দুর্নীতি দমনে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। তারপরও কেন দুদক করা হলো? দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে উন্নত কর্মকৌশল প্রয়োগ করে সমন্বিত এবং পরিকল্পিতভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা এবং সমাজের সর্বস্তরে শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদক সবচেয়ে বড় সংস্কার করেছে অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গ্রেডিং সিস্টেম প্রবর্তন করে। এখন যেকেউ ইচ্ছা করলেই যেকোনও অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করতে পারবেন না। একইভাবে সম্পদ পুনরুদ্ধার ইউনিট, গোয়েন্দা ইউনিট, সশস্ত্র ইউনিট, হাজতখানা ইত্যাদি সৃষ্টি করে দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের তদন্তের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুদকের মামলায় সাজার হার বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি উন্নীত হয়েছে।তবে তদন্তের মান যদি বিশ্বমানের হতো, তাহলে হয়তো সাজার হার শতভাগে উন্নীত হতো। তাই কমিশন নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’