রবিবার (৫ মে ) মওদুদ আহমদের পক্ষে তার আইনজীবী অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময়ের আবেদন করেন। এরপর ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহবুব পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ মে দিন ধার্য করেন। এ মামলায় এ পর্যন্ত ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩ জুলাই ব্যারিস্টার মওদুদকে তার নিজের, স্ত্রীর ও পোষ্যদের নামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এবং তার উৎস জানাতে নোটিশ দেয় দুদক। সেই সময় অন্য মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় একই বছরের ২৩ জুলাই সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেন মওদুদ। ওই হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে দুদক অনুসন্ধান করে। অনুসন্ধানে দুদক জানতে পারে মওদুদ আহমদ ৭ কোটি ৩৮ লাখ ৬৪ হাজার ২৮৭ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করাসহ ৪ কোটি ৪০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
পরে ওই ঘটনায় ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক শরিফুল হক সিদ্দিকী বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় মওদুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
২০০৮ সালের ১৪ মে মওদুদের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। এরপর ২০১৮ সালে ২১ জুন অভিযোগ গঠন করেন আদালত।