মামলাটির গ্রেফতার তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল রবিবার (৩০ জুন)। তবে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেননি। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান আগামী ২৯ জুলাই নতুন দিন ধার্য করেন।
এদিন মামলার বাদী এ বি সিদ্দিকী আদালতে হাজির না হওয়ায় তার পক্ষে আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার রাকিব চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান।
গত ২০ জানুয়ারি কারাগারে থাকা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন একই আদালত। এরপর ৫ দফায়ও গ্রেফতারি তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি আদালতে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি)-এর মিলনায়তনে শুভ বিজয়া অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে খালেদা জিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আছে। আসলে দলটি ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের কাছে কোনও ধর্মের মানুষ নিরাপদ নয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করেছে। হিন্দুদের ওপর হামলা করেছে।’
মামলার অভিযোগে বলা হয়, খালেদা জিয়ার এসব বক্তব্য যেমন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে, তেমনি হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে শ্রেণিগত বিভেদও সৃষ্টি করেছে।
এ ঘটনায় ওই বছরের ২১ অক্টোবর এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
এরপর গত ৩০ জুন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস। পরবর্তী সময়ে এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করা হয়।