এদিন ঘুষ লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে জানিয়ে মিজানুর রহমানকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করেন দুদকের পরিচালক ও অনুসন্ধান দলের নেতা শেখ মো. ফানাফিল্লাহ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে বিচারক আদেশের অনুলিপি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত ১ জুলাই বিকালে হাইকোর্টের নির্দেশের পর শাহবাগ থানা পুলিশ ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার করে। ২ জুলাই ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে নারী নির্যাতনের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার হওয়া মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু, এই তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ১৯ জুন আদালত এক আদেশে মিজানুর রহমানের স্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ২৪ জুন তিন কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
আরও পড়ুন:
ডিআইজি মিজান কারাগারে
শাহবাগ থানায় আয়েশে আছেন ডিআইজি মিজান
ডিআইজি মিজান: আদালত থেকে শাহবাগ থানায় (ফটো স্টোরি)