৮ জুলাই মামলার একমাত্র আসামি হারুন আর রশিদ সায়মা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।
প্রসঙ্গত, ৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে ওয়ারীর বনগ্রামের একটি বহুতল ভবনের ৯ তলার খালি ফ্ল্যাটের রান্নাঘরের মেঝে থেকে সায়মার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বহুতল ওই ভবনটির ছয় তলার একটি ফ্ল্যাটে সায়মা তার পরিবাবের সঙ্গে থাকতো। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল সে। স্থানীয় একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়তো সায়মা।