এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন– মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ওরফে রত্না রহমান, ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান। ডিআইজি মিজান ও তার ভাগ্নে এসআই মাহমুদুল হাসান কারাগারে আছেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তিন কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় গত ২৪ জুন দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি দুদকের ঢাকা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে দায়ের করা হয়।