কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. সহিদুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, সহকারী পরিচালক কাউছার আলম পাটওয়ারী ও কেফায়েতউল্লাহ মজুমদারের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি গোয়েন্দা দল অভিযান পরিচালনা করে।
সহিদুল হক বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, চীনা নাগরিক কেন্টের মালিকানাধীন উত্তরা ১৩নং সেক্টরের গাউসুল আজম এভিনিউয়ের হবনব কফি হাউজ ও চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এবং আবাসিক হোস্টেলে (সেক্টর-১৪, রোড-১৫, হাউস-৫৬) ২টি ক্যাসিনোর ইলেক্ট্রিক গ্যাম্বলিং মেশিন ‘মাহাজং’ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে অভিযান চালানো হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আমদানিকারক নিনাদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল চীন থেকে ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে ২০টি কার্টনে ৭ সেট ক্যাসিনো খেলার ‘মাহাজং’ মেশিন আমদানি করে। অন্য ৫টি মেশিন কোথায় আছে তা খুঁজে দেখা হচ্ছে বলে জানান গোয়েন্দারা।
উদ্ধার ক্যাসিনো মেশিন দুটির আমদানি তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আমদানি স্তরে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে এগুলো খালাসে আনুমানিক ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এই শুল্ক ফাঁকির বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডা. সহিদুল হক বলেন, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানের ফলে হবনব কফি হাউজে ব্যবহৃত ক্যাসিনো খেলার ‘মাহাজং’ মেশিনটি আবাসিক হোস্টেলে লুকিয়ে রাখে। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা দল আবাসিক হোস্টেল থেকে সেগুলো উদ্ধার করে।