আদালত সূত্রে এ কথা জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এদিন আরও পাঁচ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান। বিচারক মামুনুর রশিদ আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এই ৫ জন হলো বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে মুন্না, সদস্য মুনতাসির আল জেমি ও খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম ওরফে তানভীর।
এদিন আসামি মোজাহিদুর স্বেচ্ছায় আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মোজাহিদুরের জবানবন্দি গ্রহণ করেন বিচারক। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
গত ৮ অক্টোবর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে এই আসামিদের আদালতে হাজির করেন পুলিশ। এরপর বিচারক ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ৬ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরেবাংলা হল থেকে ইলেক্ট্রিক অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর পরদিন চকবাজার থানায় তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার ১৯ আসামিকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো বুয়েট প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠক
আবরার হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯ ছাত্রকে বুয়েট থেকে সাময়িক বহিষ্কার
বুয়েটে দলীয় ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষণা