তিনি বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের ৮ দফা দাবি, ন্যায্য দাবি। এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে তারা আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দাবির বাস্তবায়ন করা না হলে ২০ তারিখের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রমিক সমাবেশ করা হবে। সেখান থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে।
দাবিগুলো হচ্ছে, লাইসেন্সধারী সিএনজি অটোরিকশা চালকদের মধ্যে ঢাকাতে ৫০০০ এবং চট্টগ্রামে ৪০০০ অটোরিকশা প্রদানের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে হবে, মালিকরা সরকারের নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত যে জমা নেয় তা বন্ধ করতে হবে, প্রাইভেট অটোরিকশার বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে, উবার-পাঠাও ইত্যাদি রাইডে চলাচলরত গাড়ির সংখ্যার সিলিং নির্ধারণ এবং রাইড শেয়ারিং গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নির্দিষ্ট রঙের পোশাকের বিধান করতে, স্থান নির্দিষ্ট করা না পর্যন্ত নো পার্কিংয়ের অজুহাতে কথায় কথায় মামলা, রেকারিং, ডাম্পিং এবং ড্রাইভারদের অজান্তেই ভিডিও মামলা দেওয়া বন্ধ করতে হবে, লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ ও সরকার নির্ধারিত খরচে কম সময়ের মধ্যে তা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশে সার্ভিস রোড এবং ক্রসিংয়ের স্থানে আন্ডারপাস নির্মাণ করতে হবে এবং তদন্ত ছাড়া গাড়ি চুরি গাড়ি ছিনতাইয়ের জন্য অটোরিকশা চালকদের দায়ী করা যাবে না।
সমাবেশে সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব বুলবুল, ওমর ফারুক চৌধুরীসহ সিএনজি চালকরা উপস্থিত ছিলেন।