যদিও তারা জানিয়েছেন, মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সময় থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণ শুরু হয়নি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমল থেকে শুরু হয়ে মির্জা আব্বাস ও মোহাম্মদ হানিফও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণের ধারাবাহিকতা রেখেছিলেন। এই উদ্যোগটির বেশি বিস্তৃতি ঘটান সাদেক হোসেন খোকা। সেই ধারাবাহিকতা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে আজও চলমান রয়েছে।
জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মূলত ঢাকার সড়কগুলোর নাম মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাখার উদ্যোগটি এরশাদ সরকারের সময়ে শুরু হয়। এরপর মেয়র মোহাম্মদ হানিফের সময়েও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অনেক সড়কের নামকরণ হয়েছে। সাদেক হোসেন খোকার সময়ে সেটি বিস্তৃতি লাভ করে।’
অবিভক্ত সিটি করপোরেশনের সাবেক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণের জন্য বেশি জোর দিয়েছেন সাদেক হোসেন খোকা। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অনেক সড়কের নামকরণ করেছিলেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধারা তার কাছে কখনও অসম্মানিত হননি।’
মহান মুক্তিযুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলামোটর থেকে মগবাজার মোড় পর্যন্ত সড়কের নাম ‘রাশেদ খান মেনন সড়ক’ এবং মালিবাগ মোড় থেকে কাকরাইল পর্যন্ত সড়কের নাম ‘বীর উত্তম শামসুল আলম সড়ক’ করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ৯ অক্টোবর সড়ক দু’টির নামফলক উদ্বোধন করেন তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।
একইভাবে শহীদ মতিউর পার্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত সড়কটির নাম ‘বীর উত্তম আব্দুস সালেক চৌধুরী সড়ক’ করা হয়েছে। ২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর সড়কটির নামফলক উদ্বোধন করেন তিনি। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নামে আরও বহু সড়কের নামকরণ করেছেন সদ্য প্রয়াত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।