এই দাবি নিয়ে বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে বুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছেন আবরারে মামা মোফাজ্জল হোসেন এবং মামাতো ভাই জহুরুল ইসলাম। পরে বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি জানিয়েছেন জহুরুল।
তিনি বলেন, ‘আবরার হত্যা মামলায় একটি বিশেষ প্রসিকিউশন টিম গঠন করা হবে। ওই টিমে আমরাও পছন্দ মতো দু’য়েকজন আইন বিশেষজ্ঞ রাখতে চাই। এ ব্যাপারে উপাচার্যের সহযোগিতা চেয়েছি। তিনি আমাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’
এসময় সেখানে ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পরিচালক (ডিএসডাব্লিউ) মিজানুর রহমান, সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট আবুল সাত্তার ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বীকে। রাত ৩টার দিকে হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় একাধিক ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়। আবরারকে হত্যার ঘটনায় তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে হত্যায় সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে বুয়েট ছাত্রলীগের ১৩ নেতাকর্মীসহ ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন...
আবরার হত্যা: মাদক দিয়ে ‘গণপিটুনির নাটক’ সাজাতে চেয়েছিল ছাত্রলীগ
‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের না চিনলে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চলতো’
বুয়েটে আবরার হত্যা: ছাত্রলীগ থেকে ১১ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার
২০০৫ ও ২০১১ নম্বর রুম ছিল ছাত্রলীগের টর্চার সেল
আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ
ফোনে ডেকে নেওয়ার পর লাশ মিললো বুয়েট শিক্ষার্থীর
আবরার হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা