বালিশকাণ্ডের ঘটনায় গণপূর্তের আরও সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ

দুদকপাবনার রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন ভবনের জন্য বিছানা, বালিশ ও আসবাবপত্র কেনায় দুর্নীতির ঘটনায় গণপূর্তের আরও সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাদের। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তারা হলো- উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল আলম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, উপ সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, মো. শাহীন উদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল করিম ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান।

প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, ৩ নভেম্বর গণপূর্তের ৩৩ প্রকৌশলীকে তলবি নোটিশ পাঠান দুদক উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন। এরই অংশ হিসেবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। জিজ্ঞাসাবাদ চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। বুধবার (৬ নভেম্বর) প্রথম দফায় সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। প্রকৌশলীদের মধ্যে সাত জনকে ১১ নভেম্বর হাজির হতে বলা হয়েছে। তারা হলো- তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেবাশীষ চন্দ্র সাহা, উপ সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মো. আহসানুল হক, সহকারী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী খোরশেদা ইয়াছরিবা, সহকারী প্রকৌশলী মো. রওশন আলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. নজিবর রহমান ও সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুর রহমান।

সাত জনকে ১২ নভেম্বর হাজির হতে বলা হয়েছে। তারা হলো- উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আলমগীর হোসেন, উপ সহকারী প্রকৌশলী শাহনাজ আখতার, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মো. মকলেছুর রহমান, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিউজ্জামান ও রওশন আলী।

চার জনকে ১৩ নভেম্বর হাজির হতে বলা হয়েছে। তারা হলো- উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. রফিকুজামান, মো. মেহেদি হাসান, মো. মাহবুব রহমান, উপ প্রকল্প পরিচালক মো. হাসিনুর রহমান ও ড. শৌকত আকবর।