আসামিরা হলো মো. আব্দুর রশিদ মিয়া (৬৬) ও মো. সাহেব আলী মালিথা (৬৮)। পলাতক তৃতীয় আসামির নাম প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।
তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এক. ১৯৭১ সালের ১৭ জুন রাজাকার রশিদ মিয়ার নেতৃত্বে সহযোগী রাজাকার সাহেব আলী মালিথা ও পলাতক আসামিসহ ১০১৫ জন রাজাকার কোলা গ্রামে শহীদ আজিবর মণ্ডলদের বাড়িতে আক্রমণ করে। মুক্তিযোদ্ধা মহির উদ্দিন মণ্ডল ও আসির উদ্দিন মণ্ডলকে না পেয়ে তাদের তিন ভাই আজিবর, হবিবর রহমান মণ্ডল ওরফে হাবা মণ্ডল ও আনছার মণ্ডলকে আটক ও মারধর, পিঠমোড়া করে বেঁধে অপহরণ করে ঝিনাইদহ শহরের দিকে নিয়ে যায়। পরে তাদের মাগুরা রোডের ধোপাঘাটা ব্রিজের ওপর গুলি করে হত্যার পর লাশ নবগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়।
দুই. ১৯৭১ সালের ২৪ জুন আসামিরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগী নিরীহ-নিরস্ত্র মুলুক চাঁনকে কোলা গ্রামের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর আর তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।