পাঠ্যপুস্তকে জীবনমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

গতানুগতিক পাঠ্যক্রম ও বিষয়বস্তু পরিবর্তন করে জীবনমুখী ও নাগরিক বিষয়ক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে রেড কার্পেট ৩৬৫ আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ স্মার্ট সিটি কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সপো-২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছি। সরকার প্রতিনিয়ত দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিকদেরকেও সমানতালে এগিয়ে যেতে হবে। তাই গতানুগতিক শিক্ষায় যদি আমাদের সন্তানদের আমরা নগর সমাজের উপযোগী করে গড়ে তুলতে না পারি তবে সে শিক্ষা গুরুত্ব হারায়।’

মেয়র বলেন, ‘দেশের সামগ্রিক জিডিপির ৩০ ভাগেরও বেশি আসে শুধু এই ঢাকা থেকে। তাই এই ঢাকার ওপর চাপও স্বাভাবিকভাবেই বেশি। প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রতিদিন এই ঢাকাকে মুখরিত করে। আর এরই ফলে বর্জ্য উৎপাদনও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আমাদের এই অবস্থা থেকে উন্নতি করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘যদি ভারতের আজমীর শহরকে স্মার্ট সিটি হিসাবে গড়ে তোলা যায়, সেখানে আমরা কেন পারবো না? একটি স্মার্ট ও আধুনিক শহরের অন্যতম বৈশিষ্ট হলো- সেখানে বর্জ্য উৎপাদন হবে কম এবং সে বর্জ্য অনেকাংশেই পুনরায় ব্যবহার করা হবে। কিন্তু নাগরিকদের নাগরিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে না পারলে এই বর্জ্যব্যবস্থাপানা নিশ্চিত করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে বর্জ্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চাই। ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন নগরী হিসাবে গড়ে তুলতে চাই। কিন্তু স্মার্ট সিটির পূর্বশর্ত হলো স্মার্ট নাগরিক। আমরা আশা করছি শিগগিরই আমাদের নাগরিকদের সম্ভাব্য সব সেবা আমরা অনলাইনে দিতে পারবো।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আমেরিকার ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইফুর রহমান, ভারতের ইনফোসেক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সুশোভন মুখার্জি, সাইবার সিকিউরিটি মালয়েশিয়ার সিইও ড. হাজী আমিরুদ্দিন বিন আব্দুল ওয়াহাব, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই প্রমুখ।