সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম সারোয়ার খান জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ মামলায় পলাতক এক আসামির বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ হয়েছে। এই মামলায় হলি আর্টিজান হামলা মামলার ছয় আসামিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, মামলার দুই আসামি আব্দুর রউফ প্রধান ও মুফতি মাওলানা আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর বর্তমানে জামিনে রয়েছে। এছাড়া অপর এক আসামি বর্তমানে কারাগারে আছে।
মঙ্গলবার সকালে বিশেষ নিরাপত্তায় আলোচিত এ মামলার আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আজ আদালতে উপস্থিত করা হয় হলি আর্টিজান মামলা ও কল্যাণপুর হামলার আসামি আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র্যাশ (২০), রাকিবুল হাসান রিগ্যান (২১), শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ওরফে সোলায়মান (২৫), মামুনুর রশিদ রিপন ওরফে মামুন (৩০), হাদিসুর রহমান সাগর (৪০), আব্দুস সবুর খান হাসান ওরফে সোহেল মাহফুজ ওরফে নাসরুল্লা হক ওরফে মুসাফির ওরফে জয় ওরফে কুলম্যান (৩৩)। এছাড়া কারাগারে থাকা এই মামলার আসামি সালাহ উদ্দিন কামরান (৩০) ও জামিনে থাকা আসামি আব্দুর রউফ প্রধান (৬৩), মুফতি মাওলানা আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর (৬০) আদালতে উপস্থিত ছিল।
এরআগে, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরের ৫ নম্বর সড়কের ‘জাহাজ বিল্ডিং’ বাড়িতে রাতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে ৯ জঙ্গি মারা পড়ে। হাসান নামে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে পুলিশ, অপর একজন পালিয়ে যায়। তারা সবাই জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য বলে জানিয়েছিল পুলিশ। ওই ঘটনায় ২৭ জুলাই রাতে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহজাহান আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন:
একই পতাকায় গুলশান হামলা ও কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানা!