উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) নাববদ কামাল শৈবাল বলেন, কিছুক্ষণ পর বিজিএমইএ (তৈরি পোশাক প্রস্ততকারক ও রফতানিকারক সমিতি) এর সদস্য, মালিক পক্ষ, শ্রমিক ও পুলিশ মিলে আলোচনায় বসবো। এই সমস্যার সমাধান করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। শ্রমিকদের বলা হয়েছে তারা রাস্তা ছেড়ে দেবেন।
তিনি বলেন, লোকসানের কারণে মালিক পক্ষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই তাদের একটা সিদ্ধান্ত ছিল কারখানা বন্ধ করে দেবেন। তবে যদি কারখানা বন্ধ করতে হয় তবে আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা তাকে দিতে হবে। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসবো আমরা।
এদিকে ঘোষণার পর বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন। তারা কারখানায় ফিরে গেছেন।
বিজিএমইএ'র সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি মনসুর খালেক বলেন, কারখানা বন্ধের বিষয়ে পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নেয়নি মালিক পক্ষ। তারা বলছেন, ব্যাংক তাদের অর্থায়ন করতো। এখন অর্থায়ন না করায় শ্রমিকদের বেতন আটকে গেছে। যদি ওই ব্যাংক অর্থায়ন করে তবে এই সমস্যা থাকবে না। শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সুরাহার জন্য আমরা আলোচনায় বসবো।
প্রসঙ্গত, এর আগে বেলা ১২টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা।
আরও পড়ুন: উত্তরায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ