মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা করা হয়। শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক ও নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রইচ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আটজনের নামসহ ৩০/৩৫ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা মামলা করতে না আসায় আমরা মামলা দায়ের করেছি।’
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ঢাবি শাখার সভাপতি এএসএম সনেট, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য, এএফ রহমান হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সরকার, কবি জসিম উদ্দিন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদ আল রিয়াদ (হল থেকে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার), জিয়া হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম মাহিম, মাহবুব হাসান নিলয়।
ইতোমধ্যে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবির সদস্যরা।
মামলার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, ‘আমরা নুর ও অন্য আহতদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, কিন্তু তারা কেউ ঘটনার পর মামলা করতে আসেননি। তাই পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে।’
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. সাজ্জাদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর ঢাবির ডাকসু ভবনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা নুর ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় নুরসহ ২০/২৪ জন আহত হন। এদের মধ্যে সাত জনকে রাখা হয়েছিল আইসিইউতে এবং একজনকে লাইফসাপোর্টে। তবে বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত।