তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন,‘রাজীব দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা উত্তর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অবৈধভাবে মাদক ব্যবসা ও মাদক ব্যবসায়ীদের মদদ দিয়ে আসছেন। এভাবে তিনি মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন। তাছাড়া অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনি ভূমি দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন সম্পদ দখল করেন। ভয়ে এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পান না।’
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘রাজীবের নামে মোহাম্মদপুর,চাঁদ উদ্যান ও রায়েরবাজার বেড়িবাঁধ এলাকায় নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি (জায়গা,ফ্ল্যাট) রয়েছে। তিনি একাধিক দামি গাড়ি ব্যবহার করেন। এসব সম্পত্তি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর উপার্জন করেছেন।’
মামলার সার্বিক তদন্তকালে আসামি রাজীবের বিরুদ্ধে পারমিট ও লাইসেন্স ছাড়া অবৈধ বিদেশি মদ নিজের কাছে রাখার অপরাধ ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর সারনি ২৪ (ক) ধারায় প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হয়েছে বলে তদন্ত কর্মকর্তা মনে করেন।
এর আগে গত ২৫ নভেম্বর রাজধানীর ভাটারা থানায় অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় তারেকুজ্জামান রাজীবের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে র্যাব।
গত ১৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক বন্ধুর বাসা থেকে রাজীবকে গ্রেফতার করা হয়।