আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সড়ক ও সেতু সচিব, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক, বাঞ্ছারামপুর থানার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।
‘ঝুঁকিতে শেখ হাসিনা সেতু’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সে প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী কুমার দেবুল দে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইদুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার সেতুর নিচ থেকে বালু উত্তোলন করছে। এতে সেতুটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও কুমিল্লার হোমনা উপজেলার তিতাস নদীর ত্রিমোহনায় নির্মিত দেশের প্রথম ওয়াই আকৃতির শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।