আগুন পোহানোর সময় দগ্ধ কিশোরী

ঢামেক

আগুন পোহানোর সময় দগ্ধ হয়ে একজন প্রতিবন্ধী কিশোরী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন। তার নাম মাসুদা আকতার (২০)। তিনি কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার বাতাকান্দি গ্রামের মৃত আলী মিয়ার মেয়ে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকালে এই ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার বুক-পেট-পাসহ শরীরের প্রায় পঁচিশ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তিনি আশঙ্কামুক্ত নন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, সকালে বাড়ির অদূরে আগুন দেখে সেখানে যান মাসুদা। আগুন পোহাতে গিয়ে সেসময় শরীরে আগুন লেগে যায় তার। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়।

দগ্ধ কিশোরীর ছোট বোন ফারজানা আকতার (১৮) বলেন, ‘তার বাবা গত চার বছর আগে স্ট্রোক করে মারা যান। মা রীনা বেগমও স্ট্রোক করে বাসায় আছেন, তিনিও অসুস্থ। তারা দুই বোন। এর মধ্যে মাসুদা বড়। তিনি বাক প্রতিবন্ধী।’  

তাদের সাথে আসা প্রতিবেশী জামেনা বেগম বলেন, ‘প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে সবাই চেনে। আমাদের খুবই কষ্ট হয়। তাই এলাকার লোকজনের সহযোগিতা ও বাজারের লোকজনের দেওয়া টাকা-পয়সায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। জানিনা কীভাবে চিকিৎসা খরচ চলবে।’