ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৬ মেয়র প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে আগারগাঁওয়ের স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটে সকাল সাড়ে ৯ টায় প্রতীক বরাদ্দের ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম।
উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলামকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয়। তার পক্ষে প্রতীক গ্রহণ করেন তৌফিক জাহিদুর রহমান।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। তার পক্ষে প্রতীক গ্রহণ করেন জুলহাস উদ্দিন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদকে হাতপাখা, পিডিপির শাহীন খানকে বাঘ, এনপিপির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ানকে আম ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আহম্মেদ সাজেদুল হককে কাস্তে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরবিধি মেনে প্রচারণার আহ্বান জানান। আচরণ বিধি ভঙ্গ করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ চলবে। পুরো ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ ডিসেম্বর, বাছাই ২ জানুয়ারি ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ৯ জানুয়ারি।
নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. আবুল কাশেম ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশেরন (ডিএনসিসি) এবং যুগ্ম সচিব আব্দুল বাতেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি (ডিএসসিসি) করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোট সাধারণ ওয়ার্ডের সংখ্যা ৫৪টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৮টি, সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ৩৪৯টি এবং সম্ভাব্য ভোটকক্ষ ৭ হাজার ৫১৬টি, মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬১১ জন।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল। ঢাকা উত্তর সিটির প্রথম সভা হয়েছিল একই বছরের ১৪ মে এবং দক্ষিণের প্রথম সভা ছিল ১৭ মে। এই হিসেবে ২০২০ সালের ১৩ মে যথাক্রমে ঢাকার উত্তর এবং ১৬ মে দক্ষিণের মেয়াদোত্তীর্ণ হবে। আইন অনুযায়ী, মেয়াদোত্তীর্ণের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।