তার জামিনের বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনশী মনিরুজ্জামান। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফৌজিয়া আক্তার পপি।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সোনালী ব্যাংক খুলনা করপোরেট শাখার প্রায় ১২৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খানজাহান আলী থানায় পাঁচ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় খুলনা নগরের খানজাহান আলী থানার মিরের ডাঙা এলাকার সোনালি জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম এমদাদুল হোসেন, সোনালী ব্যাংক খুলনা করপোরেট শাখার সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ও বর্তমানে প্রধান কার্যালয়ের জিএম নেপাল চন্দ্র সাহা, শাখার সহকারী কর্মকর্তা কাজী হাবিবুর রহমান, জ্যেষ্ঠ মুখ্য কর্মকর্তা শেখ তৈয়াবুর রহমান ও সাবেক ডিজিএম সমীর কুমার দেবনাথকে আসামি করা হয়।
এজাহার অনুসারে এমদাদুল কয়েক দফায় ৮৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৪ টাকা ব্লক ঋণ নেন। কিন্তু তিনি মালামাল না কিনে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাৎ করেন। এতে ব্যাংকের ১২৬ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮২ টাকা ক্ষতি হয়।
পরে এ মামলায় তিনি জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান। ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর নেপাল চন্দ্রকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে দুই সপ্তাহের রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। সে রুলের শুনানি নিয়ে রবিবার আদালত উক্ত আদেশ দিলেন।