ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগসাজশ, ক্যাসিনো কারবার ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহউদ্দিন আহাম্মদকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে মোসলেহউদ্দিন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যান। একই অভিযোগে এম জামাল অ্যান্ড কোম্পানির মালিক মো. জামাল উদ্দিনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) তলবি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল তাদের। নোটিশ পাঠান দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের হাজির হতে বলা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী দুদকে হাজির হয়েছেন তারা।
দুদক সূত্র জানায়, যুবলীগের কথিত নেতা ও বিতর্কিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে পরিচিত মোসলেহউদ্দিন ও জামাল।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবাল হোসেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতন এলাকা থেকে গ্রেফতার হন জি কে শামীম। ৩০ সেপ্টেম্বর জি কে শামীম ও তার সহযোগীদের সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ওই দিন থেকেই সংস্থার পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের অনুসন্ধান দল কাজ শুরু করে। ২১ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ঠিকাদার জি কে শামীমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদে জি কে শামীম যাদের নাম বলেছে, তাদের মধ্যে প্রকৌশলী মোসলেহউদ্দিন ও মো. জামাল উদ্দিনের নাম আছে বলে জানিয়েছে দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র।