সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এম এ আব্দুল বারী বলেন, ‘মামলাটি এই পর্যন্ত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত ২ জানুয়ারি আসামি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন একই ট্রাইব্যুনাল।
এরআগে, ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আসামি হারুনকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেতন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যা থেকে শিশু সায়মাকে খোঁজ করে পাচ্ছিল না পরিবার। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নবনির্মিত একটি ভবনের নবম তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটের ভেতরে সায়মাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
ওই ঘটনায় তার বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে পরের দিন ৬ জুলাই ওয়ারি থানায় মামলা করেন। পরদিন কুমিল্লা থেকে হারুনকে গ্রেফতার করা হয়।