বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান জানান, আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রী সৈয়দা হাবিবুন্নাহার ওরফে নাহিন পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সালিশ হয়। পরে সমঝোতাও হয়। কিন্তু নাহিন পরকীয়া চালিয়েই যান। বিষয়টি জানালে তার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের এবং চাকরি খাওয়ার হুমকি দেন। তাদের কারণেই আবদুল কুদ্দুস আত্মহত্যায় প্ররোচিত হন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ লাইন্সে আবদুল কুদ্দুস নিজের রাইফেলের গুলিতে আত্মহত্যা করেন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশ লাইন্স মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
আত্মহত্যার আগে ওই পুলিশ সদস্য তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করবো না। আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে, আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রাণটা পালাই পালাই করছে। তবে অবিবাহিতদের প্রতি আমার আকুল আবেদন, আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর মা ভালো কিনা তার খবর নেবেন। কারণ, পাত্রীর মা ভালো না হলে পাত্রী কখনোই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোজখের মতো। সুতরাং সব সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি আমার শেষ অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ হাফেজ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, উত্তর বিভাগ (এসটিএফ), মিরপুর-১৪, ঢাকা।’
আরও পড়ুন:
মিরপুর পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার
আত্মহত্যাকারী পুলিশের স্ত্রী ও শাশুড়িকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন