সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নজরুলের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১৮ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। গত ২০ জানুয়ারি নজরুলকে তলব করে চিঠি পাঠান দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। গত ২৬ জানুয়ারি তাকে হাজির হতে বলা হয়েছিল। তবে তখন উপস্থিত না হয়ে তিনি সময় চেয়ে আবেদন করেন। সে অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি দুদক প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন তিনি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতন এলাকা থেকে গ্রেফতার হন জিকে শামীম। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর জিকে শামীম ও তার সহযোগীদের সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ওই দিন থেকেই সংস্থার পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের অনুসন্ধান দল কাজ শুরু করে। ২১ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ঠিকাদার জিকে শামীমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদে জিকে শামীম যাদের নাম বলেছে তাদের মধ্যে নজরুলের নাম আছে বলে জানিয়েছে দুদক সূত্র।