সারা বিশ্বে পাইলট সংকট রয়েছে। বাংলাদেশ ভালো মানের ট্রেনিং অ্যাকাডেমি গড়ে তুলে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। নিরাপদ উড্ডয়ন ও উড্ডয়ন ঝুঁকি নিয়ে প্রশিক্ষণার্থী পাইলটদের আরও পড়াশোনা করার ব্যাপারে উৎসাহিত হতে হবে। গ্যালাক্সি ফ্লাইং অ্যাকাডেমির শিক্ষানবিস পাইলটদের কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।
২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তরা ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। তিনি বলেন, আগামী দিনে বাংলাদেশের এভিয়েশন জগতে নেতৃত্ব দিতে হবে নতুনদের। নিরাপদ উড্ডয়ন ও উড্ডয়ন ঝুঁকি নিয়ে ছাত্র পাইলটদের আরও পড়াশুনা করার ব্যাপারে উৎসাহিত হতে হবে।
ভবিষ্যতে পাইলটদের প্রশিক্ষণের জন্য সিমুলেটর ও মাল্টি ইঞ্জিন বিমান সংযোজনের পরিকল্পনার কথা বলেন অ্যাকাডেমির ব্যবস্থাপনা জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ।
অ্যাকাডেমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উইং কমান্ডার (অব.) এ টি এম নজরুল ইসলাম বলেন, সারা বিশ্বে পাইলট সংকট রয়েছে। আগামীতে বাংলাদেশ ভালো মানের ট্রেনিং অ্যাকাডেমি গড়ে তুলে এই সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা করতে পারবে।
গ্যালাক্সি ফ্লাইং অ্যাকাডেমি লিমিটেড দেশের বৃহৎ পাইলট ট্রেনিং অ্যাকাডেমি। ২০১০ সাল থেকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে প্রায় ১১০ জন ছাত্র এই অ্যাকাডেমি থেকে পাইলট প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। গ্যালাক্সি ফ্লাইং অ্যাকাডেমি লিমিটেডের ৫টি নিজস্ব প্রশিক্ষণ বিমান আছে। এই অ্যাকাডেমির উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ হয় শাহ মখদুম বিমানবন্দরে।
অনুষ্ঠানে ৩৪ জন গ্রাজুয়েট পাইলটের হাতে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। অ্যাকাডেমির ছাত্র পাইলটদের দ্বারা পরিচালিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাকাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুছ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) শওকত উল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ও এভিয়েশন ব্যক্তিত্ব ক্যাপ্টেন শাহাব উদ্দিন আহাম্মেদ বীর উত্তম, নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান।