বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে আসলামুল হক ৫০-৬০ জন লোক নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেন। এসময় বিআইডব্লিউটিএ-এর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যৌথ জরিপের কথা বলে যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, সেই জরিপের কাগজপত্র আমাকে দেখাতে হবে। না হলে অভিযান চালানো যাবে না।’ তবে বিআইডব্লিউটিএ বাধা উপেক্ষা করে অভিযান অব্যাহত রাখে।
পরে সংসদ সদস্য আসলামুল হক বলেন, তার বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করতে ডিআইডব্লিউটিএ অনাপত্তিপত্র দিয়েছিল। তবে এখন তারা অভিযান চালাচ্ছে।
উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমি বাধা দিলে তারা কাজ করছেন কীভাবে। সকালের দিকে আমি একবার গিয়েছিলাম, তারা যে জরিপের ভিত্তিতে উচ্ছেদ করছে সেটা দেখার জন্য। তারা সেটা দেখাতে পারেনি। দুপুরে আমি চলে এসেছি। তারপরও তারা তাদের কাজ চালিয়ে গেছেন। বাধা দিলে কাজ চলে কীভাবে?
একাধিক অনাপত্তিপত্র তার কাছে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করবো। এর একটা পারমানেন্ট সুরাহা আমি চাই।’
এদিকে বিআইডব্লিউটিএ’র বিশেষ অভিযানের ১৯তম দিনে ১৫টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০ হাজার ঘন ফুট মাটি ও বালু অপসারণ করা হয়েছে।
অভিযান আগামী ১০ ও ১১ মার্চ আবার শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।