আলাল কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার দুলালপুর গ্রামের মো. মানিক শিকদারের ছেলে। ত্রিমুহনী পশ্চিম নন্দিপাড়া সালাম মাদবরের বাড়ির পাশে পরিবারের সঙ্গে থাকতো সে।
পুলিশ জানিয়েছে, আলাল মঙ্গলবার থেকে নিখোঁজ ছিল। সে ওই এলাকায় অটোরিকশা চালাতো।
খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন বলেন, শেখের জায়গা নামের স্থানটিতে খালি মাঠে শ্রমিকরা খোঁড়াখুঁড়ির সময় ওই ছেলেটির মাথা দেখতে পান। পুলিশকে সংবাদ দেন তারা। পরে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, আলালের মাথা ও শরীরের কয়েক জায়গায় জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। ছেলেটি ওই এলাকায় অটোরিকশা চালাতো। রিকশাটি পাওয়া গেলেও সেটির ব্যাটারি পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
রুহুল আমিন আরও জানান, কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে আলালকে হত্যা করেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে আলালের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, গত মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল আলাল। পরদিন বুধবার তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। মরদেহ পাওয়ার পর তাদের সংবাদ দেওয়া হলে তারা এসে লাশ শনাক্ত করেন।