আজ রবিবার ( ১৫ মার্চ) কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন এবং বর্তমান প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর।
যেসব বিষয় পরিহার করলে স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতি হবে না বা পরিবারের কোনও ধরনের ক্ষতি হবে না সে বিষয়গুলোকে বাদ দেওয়ার জন্য দেশে আসা প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এছাড়াও সব ধরনের জনসমাগমে যাওয়া বন্ধ রাখার জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
অধ্যাপক সেব্রিনা বলেন, ‘দেশের বাইরে থেকে এলে লক্ষণ-উপসর্গ না থাকলেও যদি জীবাণু থাকে তাহলে সেটা ১৪ দিনের মধ্যে প্রকাশ পাবে। তাই এই রোগটি আপনার কাছ থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে, দেশের বাইরে থেকে এলে যদি অসুস্থ নাও থাকেন, তাহলেও ঘরে থাকতে হবে।’
কোভিড-১৯ আক্রান্ত সন্দেহে এখন পর্যন্ত ২৩১ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে। আর কতজনকে পরীক্ষা করার মতো রি-এজেন্ট আইইডিআর-এ রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আরও দুই হাজারের মতো রয়েছে, পাইপলাইনে আরও রয়েছে।’
‘লোকাল ট্রান্সমিশন’ হচ্ছে কিনা সেটা দেখার জন্য কী ব্যবস্থা রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেসব হাসপাতাল থেকে নিউমোনিয়া রোগীর ডায়াগনোসিস করা যায়নি বা এপিটিক্যাল নিউমোনিয়া, সেসব নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। আর পরীক্ষা করা ২৩১ জনের মধ্যে তারাও আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই যে বিদেশ থেকে এসেছেন তা নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সারা দেশে যদি রোগী পাওয়া যায় তখন কীভাবে তাদের চিকিৎসা করা হবে প্রশ্নে অধ্যাপক সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, রোগী বেড়ে গেলে ‘সবাইকে ঢাকায় আনা হবে না, ঢাকার বাইরে চিকিৎসা করার ব্যবস্থা আছে, নমুনা কেবল ঢাকায় আনা হবে। ঢাকার বাইরে নমুনা পরীক্ষা করার প্রশিক্ষিত টিম রয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা পরীক্ষা করে ফলাফল হাতে পেয়ে যাই আমরা।’
এই মুহূর্তে যারা রোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে তাদের এক হাসপাতালে রাখা হয়েছে। অনেক রোগী নয় বলে এক হাসপাতালে রাখা হচ্ছে। অনেক রোগী হলে আমাদের প্রস্তুত করে রাখা হাসপাতালে তাদের রাখা হবে। তাদের বহন করার জন্য অ্যাম্বুলেন্স তৈরি আছে বলেও জানান আইইডিসিআর পরিচালক।