বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার রানা প্লাজায় শ্রমিক হত্যার সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী ওই ঘটনায় এক হাজার ১৩৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আহত প্রায় তিন হাজার শ্রমিকের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবি জানাচ্ছি। কারণ, রানা প্লাজা ধসের পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকার নিহত ও আহত শ্রমিকের পরিবারকে কিছু কিছু সহায়তা করলেও বর্তমানে অধিকাংশ নিহত ও আহত শ্রমিকের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি না হওয়ায় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় একাধিক গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ড, ভবন ধস, বয়লার বিস্ফোরণ, প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রাণ দিতে হয়েছে শ্রমিকদের। তাই শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি ২৪ এপ্রিল শ্রমিকদের জন্য জাতীয় শোকদিবস ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া বর্তমান করোনা দুর্যোগের সময়ে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে মালিকরা যে প্রহসন করছেন, এর বিপরীতে শ্রমিকদের অসন্তোষ-বিক্ষোভের দায় মালিকদেরই বহন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
রানা প্লাজার পিলার ভাঙতে শুরু করে দুর্ঘটনার আগের দিনই
রানা প্লাজা ধসের সাত বছর: সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়েই ঝুলে আছে ৩ মামলা
রানা প্লাজা ধসের সাত বছর: শ্রমিকের অধিকার ‘মালিকের ইচ্ছা’তে বন্দি