বিবৃতিতে বলা হয়, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত না হওয়া গেলেও করোনাভাইরাসের উপসর্গ তথা জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়েই অপু মারা গেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। কিছুদিন আগে দৈনিকটির সিটি এডিটর সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর খোকন করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা যাওয়ার পর, আমরা আশা করেছিলাম সময়ের আলো কর্তৃপক্ষ আরও দায়িত্বশীল আচরণ করবে। প্রতিষ্ঠানটির সব সাংবাদিক ও কমর্চারীর করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে। তবে, কার্যত সে ধরনের কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাসা থেকে সাংবাদিকদের কাজ করার দায়সারা নোটিশ দিয়ে কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এখনও বেশ কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করেনি। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, যা অমানবিক। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাংবাদিকদের চিকিৎসার ব্যয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বহন করার জন্য ইতোপূর্বে একাধিকবার ডিইউজের পক্ষ থেকে দাবি জানানোর পরেও করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, তাদের নিজের খরচে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।
বিবৃতিতে ডিইউজে নেতারা করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিকের পরিবারের দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বহন করার দাবি জানান। এছাড়া, এ ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের সহায়তায় সরকারকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান নেতারা।
আরও পড়ুন:
সাংবাদিক মাহমুদুল হাকিমের মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ